1. admin@newspratidinbd.com : admin : আ : ফারুক বাবু
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিক আন্দোলনের নামে ভাঙচুর-নাশকতা নয়, দ্রুত নতুন মজুরি ঘোষণার দাবি — নাজমা আক্তারের নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইহুদি বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় প্রস্তুত আরব দল ইশরাকের পদত্যাগ অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, সামনে বৃহত্তর দায়িত্ব পালনের পথ উন্মোচিত হতে পারে ফুটবল মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে এবার প্রকৃতির জগতেও বিশেষভাবে যুক্ত হলো বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির নাম। মদিনায় কোন হামলা হয়নি, সৌদির অভিযোগ ডাহা মিথ্যা।  জানুয়ারি–জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড ব্রয়লার মুরগির যেসব অংশ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি মুক্তির আগেই গিনেস রেকর্ডে আল্লু অর্জুনের ‘রাকা’ মুশুলী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রবিউল ইসলাম রবিন, জনসম্পৃক্ততায় বাড়ছে পরিচিতি। 

_হাকালুকি হাওরে ফসলহানিতে অসুস্থ বর্গাচাষি, দুশ্চিন্তায় পরিবার |

নিউজ প্রতিদিন বিডি ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ১৬০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | নিউজ প্রতিদিন বিডি |
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ | ১০:৪৫ রাত
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ | ১১:০৫ রাত
_হাকালুকি হাওরে ফসলহানিতে অসুস্থ বর্গাচাষি, দুশ্চিন্তায় পরিবার_
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার হাকালুকি হাওর এলাকায় বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় চরম বিপাকে পড়েছেন বর্গাচাষি বকুল দাস (৪৫)। ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার শোক ও ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্তমানে তিনি সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের কালনীগড় গ্রামের বাসিন্দা বকুল দাস জীবিকার তাগিদে চায়ের দোকান পরিচালনার পাশাপাশি প্রতি বছর বর্গা জমিতে ধান চাষ করতেন। চলতি মৌসুমে বিভিন্ন এনজিও ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে প্রায় সাত বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন তিনি। তবে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে অধিকাংশ জমির ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মাঠের ফসল নষ্ট হতে দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বকুল। পরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত সিলেটে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তার স্ত্রী হাসপাতালে পাশে থাকলেও বাড়িতে রয়েছে তিন সন্তান—নীপা রানী দাস, বিশাল দাস ও তিন্নি দাস। তারা বাবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় দিন গুনছে।
পরিবারটি জানায়, তাদের নিজস্ব কোনো জমি বা ভিটেমাটি নেই। অন্যের জায়গায় ছোট টিনের ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন তারা। ফসলহানির পাশাপাশি ঋণের কিস্তির চাপও দিন দিন বাড়ছে। এতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে পুরো পরিবার।
এদিকে হাকালুকি হাওর অঞ্চলের অনেক কৃষকই একই ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানখেত পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ নিউজ প্রতিদিন বিডি
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park